বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আজ শুক্রবার বিকেলে দৌলতদিয়া ঘাট ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া ঘাট থেকে গোয়ালন্দের পদ্মার মোড় পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার লম্বা লাইনে ঢাকাগামী যানবাহন আটকে আছে। এই সারিতে শতাধিক দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার ও রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স আটকে থাকতে দেখা যায়।

এদিকে সড়কের দুই পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উন্নয়নকাজের অংশ হিসেবে সড়কে গর্ত করা হয়েছে। এতে ওই সড়কে এখন দুই লাইনে গাড়ি আসা-যাওয়া করছে। গোয়ালন্দ ফিডমিলের পর থেকে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত মহাসড়কে বিভাজক না থাকায় সড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

বাংলাদেশ হ্যাচারিজ এলাকার সামনে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের উপপরিদর্শক (টিএসআই) বিনয় চক্রবর্তী বলেন, ফেরিগুলো তুলনামূলক কম গতিতে চলাচল করছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় গাড়ির চাপও একটু বেশি। আবার গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় আটকে থাকা পণ্যবাহী গাড়ি একবারে ছেড়ে দেওয়ায় বাড়তি চাপ পড়েছে। এ ছাড়া বিকেলের কাঁচা পণ্যের গাড়ি যাওয়া শুরু করে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী গাড়ি আগে ছেড়ে দেওয়ায় সাধারণ পণ্যবাহী গাড়ি পার হতেও সময় লাগছে। সব মিলিয়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে।

বরিশাল থেকে আসা বাসচালক মো. মিন্টু মিয়া জানান, ফেরিতে ওঠার জন্য তিনি প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছেন। গরমের মধ্যে যাত্রী নিয়ে বসে থাকতে থাকতে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।
যশোর থেকে আসা কাভার্ড ভ্যানচালক মনির হোসেন বলেন, তিনি বেলা ১১টা থেকে ঘাটে ঢোকার জন্য সিরিয়ালে আছেন। তবে বিকেল চারটা পর্যন্ত তিনি ঘাটে ঢুকতে পারেননি। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাঁচা পণ্যের গাড়ি, যাত্রীবাহী বাস আগে ফেরিতে ওঠার সুযোগ করে দেওয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক জামাল হোসেন বলেন, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় মিলে ১৯টি ফেরি চলছে। পাটুরিয়া প্রান্তে প্রায় ৫ কিলোমিটারজুড়ে পাঁচ শতাধিক এবং দৌলতদিয়া ঘাটে গোয়ালন্দের পদ্মার মোড় পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটারজুড়ে প্রায় ৬০০ যানবাহন আটকে আছে। বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ফেরি বন্ধ আছে। আবার প্রয়োজনের তুলনায় ঘাট ও ফেরি কম। তাই দুই ঘাটে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন