বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একপর্যায়ে পুলিশ জানতে পারেন, তিনি জৈন্তাপুরের সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারতে পালিয়ে গেছেন।

একপর্যায়ে সুজিতের সঙ্গে ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জৈন্তাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিক আহমদ। প্রেমের একপর্যায়ে সুজিতের সঙ্গে দেখা করার কথা বলেন নারী পরিচয় দেওয়া পুলিশ কর্মকর্তা। এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে জৈন্তাপুরের শ্রীপুর এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশের সীমান্তে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় ওই এলাকায় অবস্থান করা সাদাপোশাকের পুলিশ সদস্যরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ভারতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়।

গ্রেপ্তার অভিযানে অংশ নেওয়া এসআই কাজী শাহেদ আহমদ বলেন, সুজিত প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, মামলার পর তিনি অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতের মেঘালয়ে তাঁর বোনের বাড়িতে আত্মগোপন করেন তিনি। সেখানে রনি রায় নামের ভারতীয় পরিচয়পত্র (নাগরিকত্ব নম্বর KJT 9239182) তৈরি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘পরিচয়পত্রটি আমরা যাচাই করতে পারিনি। গ্রেপ্তারকৃত আজ বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন