বাংলাদেশ জুটমিলস করপোরেশন পরিচালিত পাঁচটি পাটকলসহ রাষ্ট্রায়ত্ত সব পাটকলের বদলি ও অস্থায়ী শ্রমিকের এরিয়ার টাকা, খুলনা-যশোর অঞ্চলের পাটকলগুলোর ছয় সপ্তাহের বকেয়া মজুরি পরিশোধ, নাম জটিলতা ও মামলায় ভুক্তভোগী সব শ্রমিকের বকেয়া পাওনা ঈদের আগেই পরিশোধ এবং বন্ধ পাটকলগুলো রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে চালুর দাবিতে এ মানববন্ধন হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, পাটকলগুলোর আধুনিকায়ন করে পরিচালনা করলে হয়ত লাভের মুখ দেখা যেত। কিন্তু গোলাম দস্তগীর গাজী তা না করে সরাসরি বন্ধ করে দিয়েছেন। পাটকলগুলো বন্ধ করে দেওয়ার সময় ঘোষণা করা হয়েছিল, তিন মাসের মধ্যে সব শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ এবং বন্ধ পাটকল আবার চালু করা হবে। কিন্তু প্রায় দুই বছর হতে চললেও অনেক শ্রমিক পুরো বকেয়ার টাকা বুঝে পাননি, বন্ধ পাটকলও আবার চালু হয়নি। এ কারণে হাজার হাজার শ্রমিক এখন বেকার বসে আছেন।

বক্তারা আরও বলেন, অতীত ইতিহাস থেকে দেখা গেছে, কোনো সরকারি সম্পত্তি বেসরকারি খাতে ইজারা দিলে তা টিকে থাকে না। রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোও ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এতে সরকারি সম্পত্তি লুটপাট হবে। এমন পরিস্থিতিতে পাটকলগুলো আবার রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় চালু করার দাবি জানান তাঁরা।

শ্রমিক-কৃষক-ছাত্র-জনতা ঐক্যের সমন্বয়ক রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশ সঞ্চালনা করেন খালিশপুর জুটমিল কারখানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির। আরও বক্তব্য রাখেন খালিশপুর জুটমিল কারখানা কমিটির উপদেষ্টা মো. শফিউদ্দিন, সভাপতি মনির হোসেন, সহসাধারণ সম্পাদক আবদুল হাকিম, ক্রিসেন্ট জুটমিলের সাবেক সহসম্পাদক আবু হানিফ, স্টার জুটমিলের শ্রমিকনেতা আলমগীর হোসেন, প্লাটিনাম জুটমিলের শ্রমিকনেতা শহীদুল ইসলাম, লেখক ও গবেষক গৌরাঙ্গ নন্দী, পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ফ ম মহসিন প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন