সামাম তাহমিদ শেরপুর শহরের বারদুয়ারী পাড়ার মোজাফফর হোসেনের ছেলে এবং সাব্বির আহম্মেদ উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের মহিপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে। তারা কেউ সাঁতার জানত না বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

শেরপুর থানা–পুলিশ সূত্র জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে আজ সকাল ১০টার দিকে শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ধড়মোকাম গ্রামের করোতোয়া নদীর ধুলাউড়ি ঘাট থেকে সামাম তাহমিদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর বেলা সোয়া একটার দিকে খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর এলাকায় করোতোয়া নদী থেকে সাব্বির আহম্মেদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় মৌখিকভাবে থানা–পুলিশকে জানানো হয়েছিল জানিয়ে শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুস সালাম প্রথম আলোকে বলেন, লাশ দুটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।

সামাম তাহমিদের বাবা মোজাফফর হোসেন বলেন, তাঁর ছেলে বন্ধু সাব্বির আহমেদকে নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের বাড়িতে আসে। পরদিন শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তারা বাড়ি থেকে বেড়ানোর জন্য বের হয়। পরে সকাল ১০টার দিকে ছেলে কল করে জানায়, তারা গজারিয়া গ্রামে বেড়াতে গেছে। এর পর থেকে দুজনের খোঁজ পাচ্ছিলেন না তাঁরা।

মোজাফফর হোসেন আরও বলেন, গতকাল বেলা দুইটার দিকে স্থানীয় এক তরুণের মাধ্যমে শেরপুর শহীদিয়া আলিয়া মাদ্রাসার পাশে করোতোয়া নদীর তীরে তাঁর ছেলের মুঠোফোন পান। এরপর উভয়ের পরিবার সারা রাত বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও সামাম, সাব্বিরের সন্ধান পায়নি। আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ধড়মোকাম গ্রামের করোতোয়া নদীর ধুলাউড়ি ঘাটে একটি লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে গিয়ে ছেলের লাশ শনাক্ত করেন মোজাফফর হোসেন।

জানতে চাইলে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় শেরপুর থানায় পৃথক দুটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন