default-image

বগুড়া জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সিপার আল বখতিয়ারকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কারের পর দলের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সিপার–সমর্থিত কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপির কার্যালয় দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির নেতা ও তাঁদের সমর্থকেরা ওই কার্যালয়ে দখলে রাখার চেষ্টা করেন। পুলিশ আজ বুধবার কোনো পক্ষকে দলীয় কার্যালয়ে ঢুকতে দেয়নি। শহরের নবাববাড়ি দলীয় কার্যালয়ের সামনে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

সিপার আল বখতিয়ার বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও শহর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বগুড়া পৌরসভার কাউন্সিলর। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২২ সেপ্টেম্বর বিএনপির কার্যালয়ে প্রতিনিধিসভা চলাকালে হামলার ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সিপার আল বখতিয়ারের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণসহ তাঁকে বহিষ্কারের সুপারিশ পাঠায় জেলা বিএনপি। ওই সুপারিশ আমলে‌‌ নিয়ে কেন্দ্র থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খায়রুল বাশার অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার রাতে বহিষ্কৃত নেতার কর্মী–সমর্থকেরা যুবদলের এক নেতাসহ দু-তিনজনের ওপর হামলা করেন। দলীয় কার্যালয়ও দখলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনার পরপরই জেলা বিএনপির কার্যালয়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। জেলা যুবদলের সদস্য রেজাউল ইসলামকে আহত অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে সিপার আল বখতিয়ার বলেন, ‘কারা মহড়া দিয়েছে, তা আমি জানি না। কাউকে মারধরের বিষয়টিও আমার জানা নেই। দল থেকে বহিষ্কার করার সংবাদে আমার কর্মী-সমর্থকেরা ক্ষুব্ধ হতেই পারেন। তবে তাঁদের শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করেছি।’

বগুড়া সদর ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ইনচার্জ) আবুল কালাম আজাদ বলেন, উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে বুধবার কোনো পক্ষকেই বিএনপি কার্যালয় ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

মন্তব্য পড়ুন 0