বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শহিদুল ইসলাম নিশিন্দার এলাকার বাসিন্দা। তিনি ও তার বাবা আবদুল কাদের মিলে কারবালা এলাকায় আলম মেডিকেল নামে এক চিকিৎসা কেন্দ্র পরিচালনা করতেন।

আদালত সূত্র বলেছে, চিকিৎসক হিসেবে কোনো ডিগ্রি নেই শহিদুল ইসলামের। বাবা আবদুল কাদেরও নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিতেন। অস্ত্রোপচার করতেন তাঁরা। এ ছাড়া অসুস্থ শিশু ও নারীদের জন্য ব্যবস্থাপত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ লিখতেন তাঁরা দুজন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে বগুড়া শহরের নিশিন্দারা কারবালা সড়কের মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ওই দুজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও বাবা আবদুল কাদেরের কাছ থেকে মুচলেকা নেন আদালত। এ সময় চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুর রহমান বলেন, ওষুধ আইন লঙ্ঘন করার অপরাধে ২৭ ধারায় বাবা ও ছেলেকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন