বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুদক সূত্র জানায়, এসআই আলমগীরের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পেয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক। ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য তাঁকে দুদক থেকে নোটিশ পাঠানো হয়। ২৪ নভেম্বর তিনি নোটিশ গ্রহণ করেন। গত বছরের ১৩ জানুয়ারি তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। সেখানে স্থাবর ও অস্থাবর মিলে ৭২ লাখ ৫১ হাজার ৭৮ টাকার সম্পদ অর্জনের হিসাব দেন।

দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা সুদীপ কুমার চৌধুরী বলেন, দুদকে দাখিল করা সম্পদ যাচাই ও অনুসন্ধানে নেমে দেখা যায় যে এসআই আলমগীর ১৯৯৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ২২ বছরে পারিবারিক ব্যয় নির্বাহে খরচ করেছেন ১১ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকা। এতে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৪ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৮ টাকা। তাঁর বৈধ আয় ৪৫ লাখ ২ হাজার ৭০১ টাকা। জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের পরিমাণ ৩৯ লাখ ১৩ হাজার ৮৭৭ টাকা। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মাধ্যমে এসআই আলমগীর দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪–এর ৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত এসআই আলমগীর কল কেটে দেন। সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, এসআই আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদকে মামলার বিষয়টি তিনিও জেনেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন