বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন বলেন, জলেশ্বরীতলার এক বাসিন্দা পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী জোর করে তাঁর সীমানা দিয়ে ড্রেন নির্মাণ করতে চান। অভিযোগ পেয়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিষয়টি জানতে সেখানে গেলে ওই স্কুলশিক্ষিকার ও তাঁর স্বামী ক্ষুব্ধ হয়ে তর্কে জড়ান। একপর্যায়ে তাঁরা আক্রমণ করে গেঞ্জির কলার ধরে টানাহেঁচড়া করে ফেলে দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। পরে অন্যরা এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে হেনস্থা করায় থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা মারধর বা নির্যাতনের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

শিক্ষিকা প্রথম আলোকে বলেন, বাসাবাড়ির সীমানা নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের জেরে পৌর কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন রোববার বিকেলে বাসায় এসে তাঁর স্বামীকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও মারধর শুরু করেন। এতে বাধা দিলে কাউন্সিলর তাঁকেও অকথ্য ভাষায় গালমন্দ এবং মাটিতে ফেলে লাথি দিতে থাকেন। মারপিটে তাঁর স্বামী আহত হলে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্কুলশিক্ষিকা অভিযোগ করেন, ঘটনাটি তাৎক্ষণিক তিনি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মুঠোফোনে জানান। ওসি আগে স্বামীকে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে বলেন। সোমবার মামলার জন্য আবারও সদর থানায় যোগাযোগ করা হলে মামলা নিতে তালবাহানা করা হয়। মঙ্গলবার ওসির সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যস্ততার কথা জানান। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, অভিযুক্ত কাউন্সিলরের কাছ থেকেই পুলিশ জিডি নিয়েছে। মামলা না নিলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হবেন।

অভিযোগের বিষয়ে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, জলেশ্বরীতলার কোনো স্কুলশিক্ষিকা মামলা দিতে তাঁর কাছে আসেননি। মুঠোফোনে কথাও হয়নি। ওই এলাকার পৌর কাউন্সিলর তাঁর ওপর হামলার লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন