বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে গত রোববার দুপুরে ওই উপজেলার এক কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে ওই কিশোরীর মা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে পুলিশের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় গতকাল বরাত আলীকে আসামি করে থানায় মামলা নেওয়া হয়।

অভিযোগসূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে ওই কিশোরীর মা পারিবারিক কাজে বাড়ির বাইরে যান। এ সময় ওই কিশোরী বাড়িতে একাই ছিল। এ সুযোগে বরাত আলী ওই বাড়িতে ঢুকে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় ওই কিশোরীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে বরাত আলী পালিয়ে যান।

এর আগে ওই কিশোরীর বাবা বলেছিলেন, তিনি এ ঘটনার পর বরাত আলীর অভিভাবকদের কাছে বিচার চেয়েছিলেন। কোনো বিচার না করায় পরে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরামর্শ করে তাঁরা মামলা করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর টাউন পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) ছাম্মাক হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার এড়াতেই অভিযুক্ত বরাত আলী অন্যত্র পালিয়ে ছিলেন। তবে গতকাল রাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। এ ছাড়া আজ সকালে ওই কিশোরীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন