বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহারে কিশোর বাউল মেহেদী হাসান উল্লেখ করেছে, আর্থিক অনটনের কারণে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সে বাউলগানের দিকে ঝুঁকে পড়ে। পাশের ধাওয়াগীর পাগলাপাড়া গ্রামের বাউলশিল্পী মতিয়ার রহমান ওরফে মতিনকে (৫৫) গুরু মেনে তাঁর কাছে বাউলগান শেখা শুরু করে। সাদা ফতুয়া, সাদা লুঙ্গি ও সাদা গামছা পরতে শুরু করে। গুরুর সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাউলগান গেয়ে বেশ পরিচিতিও পায় মেহেদী। তার বাউলজীবন, গান ও পোশাক নিয়ে বাজে কথা বলতেন পাড়ার মাতবরেরা। তিনি এর প্রতিবাদ করায় তাঁরা ক্ষিপ্ত হন। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাকে ডেকে তোলেন। এ সময় মাতবর শাফিউল ইসলাম অন্যদের নির্দেশ দেন তাকে ন্যাড়া করে দেওয়ার।

default-image

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এটা নিছক কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আবহমান বাংলার শিকড় সংস্কৃতির ওপর ধর্মান্ধ ব্যক্তিদের আঘাত। মঙ্গলবার রাতে মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন