বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বগুড়া জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, আজ বেলা ১১টার দিকে গণ অধিকার পরিষদের ব্যানারে দল ও এর সহযোগী সংগঠনের কয়েক শ নেতা-কর্মী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের করেন। পরে ‘মুক্তির ফুলবাড়ী স্মৃতিস্তম্ভ’–এ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তাঁরা। সেখান থেকে শোভাযাত্রাসহ শহরের সাতমাথায় ফেরার পথে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা করেন।

মিজানুর রহমান আরও বলেন, যুবলীগের নেতা-কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং লাঠিপেটা করে তাঁদের শোভাযাত্রা ছত্রভঙ্গ করে দেন। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের সামনে জড়ো হন তাঁরা। সেখানেও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর দ্বিতীয় দফায় হামলা করেন। দুই দফা হামলায় তাঁদের অন্তত ১৫ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

বগুড়া জেলা যুবলীগের সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার বলেন, গণ অধিকার পরিষদের ব্যানারে ইসলামী ছাত্রশিবিরের অনেক নেতা-কর্মী মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে লোকদেখানো শ্রদ্ধা জানাতে যান। এ সময় তাঁরা ফুল দিতে এসে সরকার ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বিরুদ্ধে নানা উসকানিমূলক স্লোগান দিতে থাকেন। তাঁদের অনেকের হাতে লাঠিও ছিল। এ সময় তাঁদের উসকানিমূলক স্লোগান দিতে নিষেধ করা হয়। এরপর তাঁরা উসকানিমূলক স্লোগান দিতে থাকলে সাতমাথা থেকে মাটিডালির দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়া যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা ধাওয়া করলে তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। কিন্তু আধা ঘণ্টা পর সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের ফটকে জড়ো হয়ে আবারও তাঁরা উসকানিমূলক স্লোগান দিতে থাকেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা আরেক দফা ধাওয়া দেন। তবে হামলার অভিযোগ সঠিক নয়।

জানতে চাইলে ফুলবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) সুজন মিয়া বলেন, ‘গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিতে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে থাকলে সেখানে উপস্থিত যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁদের ধাওয়া করে বলে শুনেছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন