বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খায়রুল ইসলাম রংপুর শহরের মিস্ত্রিপাড়া এলাকার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল খালেকের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের সাবগ্রাম এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন এবং ব্যক্তিগত গাড়ি ভাড়ায় চালাতেন।

বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় প্রথম আলোকে বলেন, খায়রুল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনো থানায় কোনো মামলা হয়নি। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের মর্গে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, ওষুধের দোকানের ভেতরে দুজন প্রত্যক্ষদর্শীর সামনেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে ওই দোকানে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল না। রাস্তার পাশের একটি প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে হামলাকারী দুজন ছিল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হামলাকারীদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন