বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে চুক্তিবদ্ধ চালকলমালিকদের কাছ থেকে ৪৮ হাজার ২৪১ মেট্রিক টন চাল কেনা হচ্ছে। ১ কেজি মোটা চাল সরবরাহের জন্য চালকলমালিকদের ৩৭ টাকা দেওয়া হবে। ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবেন কলের মালিকেরা। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গুদামে ধান ও চাল সরবরাহ করা যাবে। এই সংগ্রহ অভিযানে ৭৪৩ জন কলমালিককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২২ জন মালিকের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

একই সূত্রে আরও জানা যায়, বগুড়ায় ১ হাজার ৯৬০টি চালকল রয়েছে। গত বোরো মৌসুমে গুদামে চাল সরবরাহের জন্য খাদ্য বিভাগের সঙ্গে দেড় হাজার জন হাস্কিং মিলমালিক ও ৫৬ জন অটোমেটিক চালকলের মালিক চুক্তিবদ্ধ হন। চালের বাজারমূল্য বেশি—এমন অজুহাতে গত মৌসুমে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করেনি ৪২১ জন মালিক। গেল মৌসুমে বোরো চাল সংগ্রহ করার কথা ছিল ৭১ হাজার ৮৪৮ টন। এর মধ্যে সংগ্রহ হয়েছে প্রায় ৪৪ হাজার মেট্রিক টন। ৩৬ টাকা কেজি দরে সেদ্ধ চাল সরবরাহের জন্য ২৬ এপ্রিল থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৩২২ জন মালিক চুক্তি করেও চাল সরবরাহ করেনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন