বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘এশিয়ান হাইওয়ে সাউথ এশিয়া সাব রিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক) সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২’ প্রকল্পের অধীনে ঢাকা-রংপুর জাতীয় মহাসড়কের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে বগুড়া হয়ে রংপুরের মর্ডানমোড় পর্যন্ত ১৯০ দশমিক ৪ কিলোমিটার অংশ ৪ লেনে উন্নীতকরণ কাজ চলছে।
প্রকল্পের বগুড়ার বনানী থেকে মোকামতলা পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার অংশের কাজ পেয়েছে কেএমসি-মনিকো জয়েন্ট ভেঞ্চার নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চন্ডিহারা এলাকার ২২-২৩ জনের কাছ থেকে ইট নিচ্ছে।

ইট সরবরাহকারীদের অভিযোগ, প্রকল্পের ইট সরবরাহে চন্ডিহারা-করতকোলা এলাকার আয়নুর ইসলাম নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি তাঁদের কাছ থেকে ট্রাকপ্রতি ১ হাজার ৫০০ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে রাজি না হলে আয়নুর ইট সরবরাহে নিয়োজিত ট্রাকের চালকদের মারধর করেন। প্রতিবাদে তাঁরা মহাসড়ক অবরোধ করেন।

এই অভিযোগ অস্বীকার করে আয়নুর ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, তিনি ইটভাটার মালিক। চার লেন কাজের ঠিকাদার মনিকো জয়েন্ট ভেঞ্চারের সঙ্গে ইট সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এই কাজে স্থানীয় ইটভাটার মালিকেরা বেশি ইট দিতে চান। কিন্তু স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তিও অন্য এলাকার ভাটা থেকে ইট এনে সরবরাহ করছেন। স্থানীয় ভাটা থেকে বেশি ইট আসার কারণে অন্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। এখানে চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কেএমসি-মনিকো জয়েন্ট ভেঞ্চারের প্রজেক্ট ব্যবস্থাপক দেওয়ান ইমরান আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, মহাসড়কের ২৫ কিলোমিটার অংশ ৪ লেনের কাজে অনেক ইট দরকার। এ জন্য চন্ডিহারা এলাকার ২২-২৩ জনকে সরবরাহ আদেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা নিজেরা ইট দেওয়া নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন। এর সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, চাঁদাবাজি নয়, ইট সরবরাহ নিয়ে নিজেদের মধ্যে বিবাদে একপক্ষ মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন