স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কুসুম্বি ইউনিয়নের বাগড়া কলোনির একটি বাগানে নিয়মিত জুয়ার আসর বসে। তরুণ, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন বয়সী লোকজন জুয়া খেলেন সেখানে। জুয়া খেলার বাধা দেওয়ায় গতকাল শুক্রবার রাতে জনিকে সড়কের ওপর ফেলে এলোপাতাড়ি মারধর করেন আমিনুল ইসলাম ও তাঁর সঙ্গীরা। জনির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।

আজ শনিবার সকালে জনির মা আফরোজা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত পৌনে সাতটার দিকে ওই বাগানে জুয়া খেলা দেখে আয়োজকদের তা বন্ধ করতে বলেন রনি। এতে একই এলাকার আমিনুল ইসলাম, তাঁর ভাই আরিফ হোসেন, রুহুল আমিন ও মো. হানিফ ধাতব টর্চলাইট দিয়ে জনির মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই হামলাকারীদের বিচার দাবি করেন তিনি।

শেরপুর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় গতকাল রাত ১০টার দিকে আহত যুবকের ভাই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ওই চারজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আসামিরা সবাই আত্মগোপনে চলে গেছেন। আজ সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

কুসুম্বি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহ আলম বলেন, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে তিনি জেনেছেন, বাগড়া কলোনির একটি বাগানে নিয়মিত জুয়ার আসর বসে। তাঁর ইউনিয়নের অনেকেই গোপনে এই খেলায় অংশ নেয়। এতে অনেকেই পারিবারিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জুয়া খেলা বন্ধে দ্রুতই প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

শেরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, এ অপরাধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যাঁরা জড়িত, তাঁদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন