বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত রিপন মিয়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি একটি বেসরকারি সংস্থায় সিকিউরিটি সুপারভাইজার পদে চাকরি করতেন তিনি। রিপন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুজরুকমাঝিড়া গ্রামের দুলাল মণ্ডলের ছেলে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শহরের একটি মেসে থেকে পড়ালেখা করতেন রিপন মিয়া। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে পড়াশোনার খরচ জোগাতে তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি সুপারভাইজার পদে চাকরি করতেন। করোনার কারণে কলেজ বন্ধ থাকায় তিনি বাড়ি থেকে প্রতিদিন মোটরসাইকেল চালিয়ে কর্মস্থলে যাতায়াত করতেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মঙ্গলবার ভোরে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে রওনা দেন রিপন। রংপুর–ঢাকা মহাসড়কের গোকুল ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পৌঁছালে বালুবাহী একটি ট্রাক তাঁর মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মহাসড়কে ছিটকে পড়লে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনি। এ ঘটনার পর ট্রাক ফেলে পালিয়ে যান চালক ও সহকারী।

হাইওয়ে পুলিশের গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই রিপনের পরিবারের সদস্যরা তাঁর লাশ নিয়ে গেছেন। পুলিশ ট্রাক আটক করতে পারলেও চালক ও সহকারী পালিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন