উপজেলার বন বিভাগে কর্মরত ফরেস্ট গার্ড মকবুল হোসেন বলেন, মেহগনি, আকাশমনিসহ বিভিন্ন জাতের গাছের গুঁড়ি সাতটি লটে রাখা রয়েছে। সাতটি লটে মোট গাছের সংখ্যা কত, সেটি তাঁর জানা নেই।

উপজেলার বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেটে রাখা গাছগুলো বিক্রির জন্য জেলা বন বিভাগ থেকে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু দরপত্রে কাঙ্ক্ষিত মূল্যে পাওয়া যায়নি। এ কারণে গাছগুলো এখনো অবিক্রীত পড়ে আছে।

বাগানের মালী শাজাহান আলী বলেন, উপজেলার বন বিভাগ থেকে বনায়নের অংশ হিসেবে এসব গাছ সড়কের পাশে লাগানো হয়েছিল। বিগত বছরগুলোতে ঝড়ে ভেঙে পড়ায় গাছগুলো কেটে ফেলা হয়। এসব গাছের বয়স অন্তত ১২-১৫ বছর হবে বলে জানান তিনি।

বন বিভাগে গাছের চারা কিনতে আসা আবু হানিফ বলেন, ‘কেটে রাখা ডুমগুলোর মধ্যে অনেক ডুম থেকে ভালো কাঠ বের হবে। এখনই এসব বিক্রি না হলে বৃষ্টিতে আরও পচে নষ্ট হয়ে যাবে। আরও দেরিতে বিক্রি করা হলে সরকার ভালো মূল্য পাবে না।’

স্থানীয় দুজন কাঠ ব্যবসায়ী বলেন, বিগত সময়ে বন বিভাগের কেটে রাখা গাছের গুঁড়ির লট দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছিল। তখনো দেখা গেছে, অনেক মূল্যবান গাছের গুঁড়ি পচে গেছে। ওই কাঠগুলো জ্বালানির খড়ি ছাড়া আর কোনো কাজে আসে না।

এ প্রসঙ্গে উপজেলার বন বিভাগের কর্মকর্তা সামছুল আলম বলেন, ‘কেটে রাখা গাছের গুঁড়িগুলো পচে নষ্ট হয়ে গেলেও আমাদের কিছু করার নেই। জেলা বন বিভাগ দরপত্র আহ্বান না করলে এসব গাছ বিক্রি করারও সুযোগ নেই। আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে নতুন করে জেলার বন বিভাগ কার্যালয় থেকে দরপত্র আহ্বান করার কথা রয়েছে।’