default-image

বগুড়ায় আলোচিত পরিবহন ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান আকন্দের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছেন মনসুর আলম নামের একজন ফল আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় সোমবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের পাশাপাশি সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী।

আবদুল মান্নান বগুড়া শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি এবং আসন্ন বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী। তিনি মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর বাড়ি শহরের সূত্রাপুর আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠসংলগ্ন এলাকায়।

বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মনসুর আলম বলেন, তিনি বগুড়া শহরের স্টেশন সড়কে রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্ট মার্কেটে ১২টি দোকানঘরের পজিশন কিনেছেন। এই মার্কেট নির্মাণের ঠিকাদার মের্সাস শুকরা এন্টারপ্রাইজের মালিক আবদুল মান্নান আকন্দ। রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্টের অনুমোদন সাপেক্ষে আবদুল মান্নান দোকানঘরের প্রায় ৫৪ লাখ টাকা গ্রহণ করেছেন। চুক্তি অনুযায়ী ১২টি দোকান বুঝে দেওয়ার কথা থাকলেও তা না দিয়ে আবদুল মান্নান নিজেই দোকানগুলো দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে মনসুর আলম অভিযোগ করেন, ৮ ডিসেম্বর আবদুল মান্নান আকন্দ তাঁর দখলে থাকা দোকানের তালা ভেঙে দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ১০-১৫ জন সঙ্গে ছিলেন। এরপর গতকাল রোববার তিনি দোকানে ছিলেন না। এ সময় আবদুল মান্নানসহ কয়েকজন দোকানে এসে গালাগালি ও হুমকি দেন। এ সময় মনসুর সেখানে উপস্থিত হলে আবদুল মান্নান আকন্দ তাঁকে মারধর করেন। এ বিষয়ে আবদুল মান্নান আকন্দসহ ১০ থেকে ১৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

জানতে চাইলে আবদুল মান্নান আকন্দ প্রথম আলোকে বলেন, তিনি রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্ট মার্কেট নির্মাণের ঠিকাদার। এই মার্কেট নির্মাণের ফলে স্টেশন সড়কের কয়েকজন ফল ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হন। মনসুর আলমকে স্টেশন সড়কে প্রথম সারিতে ১০ ফুট জায়গায় নির্মিত দোকানসহ অবশিষ্ট দোকান ভেতরের দিকে নিতে অনুরোধ করা হয়। অবশিষ্ট জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্ত মনসুর আলম স্টেশনে সড়কে মার্কেটের প্রবেশমুখেই ২০ ফুট প্রশস্ত দোকানঘর দখলে নিয়েছেন। এতে করে আবদুস সামাদ মিয়াসহ বেশ কয়েকজন ফল ব্যবসায়ী পথে বসার জোগাড়।

আবদুল মান্নান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ব্যবসায়ীদের দোকান বুঝে দিতে গিয়ে মুনসুর আলমের সঙ্গে একটু ঝামেলা হয়েছে। কিন্তু মারধর বা হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন