বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়িয়ে শিক্ষার্থীদের বরণ করতে রাখা হয়েছে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। বিদ্যালয়ে প্রবেশের পর শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপে স্কাউট দলের সদস্যরা। এরপর সকাল পৌনে আটটার দিকে সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পরই শুরু হয়ে যায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান।

ক্লাস শেষে শিক্ষার্থী আফিফা হেমন্তি বলে, ‘দেড় বছর পর ক্লাসরুমে বসে ক্লাস করলাম। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হলো। সরাসরি স্যারদের সঙ্গে দেখা হলো। এই অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’

default-image

প্রথম ঘণ্টার পাঠদান শেষে বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হজরত আলী, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মাহবুব মোর্শেদ ও বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. রাবেয়া খাতুন বক্তব্য দেন।

মোছা. রাবেয়া খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য আইসোলেশন কক্ষও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে এখনো তাপমাত্রা বেশি থাকার জন্য কোনো শিক্ষার্থীকে ফেরত পাঠানো বা আইসোলেশনে নিতে হয়নি।

default-image

এদিকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হজরত আলী প্রথম আলোকে বলেন, জেলার ৮৬২টি সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান নিশ্চিত করতে ১৯ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব নির্দেশনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো মানছে কি না, সেটি সকাল থেকে তদারক করা হচ্ছে।

এদিকে সকাল সাড়ে সাতটায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাঠদানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বগুড়া জিলা স্কুলের পাঠদান কার্যক্রম। সেখানে প্রধান শিক্ষক শ্যামপদ মুস্তফী শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন