বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তদন্ত কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওনক জাহান, গাবতলী উপজেলার রিটানিং কর্মকর্তা (উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা) মো. রুহুল আমিন ও গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়া লতিফুল ইসলাম।

এদিকে গত বুধবারের নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত পাঁচজনের প্রত্যেকের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আজ বেলা ১১টার দিকে বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. জিয়াউল হক তাঁর সম্মেলনকক্ষে নিহত পাঁচ ব্যক্তির স্বজনদের হাতে এই অর্থ সহায়তা তুলে দেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক নিহত ব্যক্তিদের স্বজনের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচনী সহিংসতায় যাঁরা মারা গেছেন, অর্থ দিয়ে তার ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়। স্বজনহারা পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানাতে এই অর্থ সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ।

অর্থ সহায়তা হস্তান্তরের সময় অন্যদের মধ্যে বগুড়ার পুলিশ সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুম আলী বেগ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালাহ্উদ্দিন আহমেদ, গাবতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফি নেওয়াজ খান, গাবতলীর ইউএনও রওনক জাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বুধবারের সহিংসতায় নিহত রিকশাচালক আলমগীর হোসেনের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর বাবা মকবুল হোসেন, দিনমজুর আবদুর রশিদ প্রামানিকের স্ত্রী বুলবুলি বেগম, দিনমজুর খোরশেদ আকন্দের স্ত্রী ও নিহত কুলসুম বেগমের স্বামী খোকন মণ্ডল এবং পৃথক নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় নিহত জাকির হোসেনের স্ত্রী শাপলা আক্তার সহায়তার অর্থ গ্রহণ করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন