বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বগুড়ায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। হঠাৎ করে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। মাস্ক পরছেন না। সামাজিক দূরত্বও ভেঙে পড়েছে। বিয়েশাদি, সভা-সমাবেশ, সবই চলছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখনই সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণ করা দরকার।

বগুড়ায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। হঠাৎ করে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। মাস্ক পরছেন না। সামাজিক দূরত্বও ভেঙে পড়েছে।
মোস্তাফিজুর রহমান, ডেপুটি সিভিল সার্জন, বগুড়া

বগুড়া পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে শহরে সংক্রমণ পরিস্থিতির দিন দিন অবনতি ঘটছে। জেলায় এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৫৯৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। করোনায় মৃত্যুসংখ্যা ২০০ ছুঁয়েছে। রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ সংখ্যা গত এক মাসের তুলনায় সর্বোচ্চ রেকর্ড। এমন পরিস্থিতিতে শহরের জলেশ্বরীতলা ব্যবসায়ী সমিতি, নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি, রানার প্লাজা, শেখ সরিফ উদ্দিন সুপার মার্কেট, আল আমিন কমপ্লেক্স, সপ্তপদী মার্কেট, রেলওয়ে হকার্স মার্কেটসহ শহরের সব বিপণিবিতান রাত আটটার পর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত সোমবার থেকে কার্যকর হবে।

জানতে চাইলে বগুড়া পৌরসভার মেয়র এ কে এম মাহবুবর রহমান বলেন, করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপাতত রাত আটটার পর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মার্কেট-বিপণিকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পরামর্শে এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন