বিজ্ঞাপন

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, শিবিরের নেতা-কর্মীরা ছাত্রাবাসের আড়ালে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ছাড়াও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গোপন ‌ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনা করে আসছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যে নিশ্চিত হয়েই এই অভিযান চালানো হয়। তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নথি মিলেছে।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ূন কবির বলেন, গ্রেপ্তার সাতজন শিবিরের বিভিন্ন পদে থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পাঁচ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন