বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বগুড়া জেলা সিভিল সার্জন গউসুল আজিম চৌধুরী। এ সময় বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নিলুফা ইয়াছমিন, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সামির হোসেন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী আকন্দ, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা হযরত আলী, বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এ টি এম মোস্তফা কামাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম দিনে বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২ হাজার ৫৪৪ জন এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২ হাজার ৩০৪ শিক্ষার্থী করোনার টিকা পেয়েছে।

বগুড়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সামির হোসেন বলেন, জেলায় ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১ লাখ ১১ হাজার শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে। এর মধ্যে বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪ হাজার ৮৪৮ শিক্ষার্থীকে প্রথম দিনে করোনার ফাইজারের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের টিকার জন্য কোনো নিবন্ধন করতে হচ্ছে না। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদর্শন করলেই করোনার টিকা নিতে পারবে। পর্যায়ক্রমে জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই টিকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ১৮ বছরের বেশি বয়সীদেরও স্বাভাবিক টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

৫ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল
করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলায় পাঁচ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ১১ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চার দিনব্যাপী এই কার্যক্রম চলবে। জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আজ বগুড়া স্বাস্থ্য বিভাগ আয়োজিত সভায় এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন গউসুল আজিম চৌধুরী।

সিভিল সার্জন বলেন, জেলার মোট ২ হাজার ৮০৪টি কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫৮ জন শিশুকে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তাদের মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৫৭ হাজার ৯০ জন শিশুকে নীল ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ২১ হাজার ৬৬৮ জন শিশুকে লাল ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

চার দিনব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানোর কর্মসূচি সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলবে। যদি কেউ ক্যাম্পেইন চলাকালে কোনো কারণে শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়াতে ব্যর্থ হন, তাঁদের জন্য স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও হাসপাতালে এই ক্যাপসুল সংরক্ষণ থাকবে। সেখানে গিয়েও শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন