বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৩০ অক্টোবর শহরের ফুলবাড়ি মধ্যপাড়া এলাকায় বগুড়ার বিএফ শাহীন স্কুল ও কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র মেহেদি হাসান (১৫) ও ফারুক (৪০) নামের এক রিকশাচালককে ছুরিকাহত করেন গ্রেপ্তার আসামিরা। বর্তমানে দুজনই শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মেহেদীর অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। এ ঘটনায় আহত রিকশাচালক ফারুকের স্ত্রী ঝর্ণা বেগম বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় যুবলীগ নেতা নুরুলসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ১০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

৩০ অক্টোবর বগুড়ার বিএফ শাহীন স্কুল ও কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র মেহেদি হাসান (১৫) ও ফারুক (৪০) নামের এক রিকশাচালককে ছুরিকাহত করেন ওই যুবলীগ নেতা।

সূত্র আরও জানায়, ৩০ অক্টোবর সন্ধ্যায় রিকশাচালক ফারুকের ছেলে আবিব ও তার বন্ধু শাহরিয়ারকে মারধর করেন যুবলীগ নেতা নুরুলের লোকজন। এ নিয়ে রিকশাচালক ফারুক ও গ্যারেজের মালিক রিয়াজের সঙ্গে নুরুল ইসলামের লোকজনের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে রিকশা গ্যারেজে হামলা করা হয়। এ সময় রিকশাচালক ফারুক ও স্কুলছাত্র মেহেদীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন হামলাকারীরা।

এর আগে ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম ও তাঁর সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে ইব্রাহীম হোসেন সবুজ (২১) নামের একজন ছুরিকাঘাতে নিহত হন। ওই হত্যা মামলারও প্রধান আসামি নুরুল ইসলাম।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফুলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম জানান, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সবুজ হত্যা মামলা ছাড়াও পুলিশের ওপর হামলা, আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদুল হত্যাচেষ্টা মামলাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন