বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে নাজমুল ও মিনহাজ তাঁদের কয়েকজন সঙ্গীসহ ডাবতলা মোড়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে আসা দুর্বৃত্তরা তাঁদের লক্ষ্য করে কয়েকটি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় নাজমুল ও মিনহাজ গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয় লোকজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

হাসপাতালের উপপরিচালক আবদুল ওয়াদুদ বলেন, গুলিবিদ্ধ দুজনের মধ্যে নাজমুল হাসানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ঘটনাস্থল বগুড়ার স্টেডিয়াম ফাঁড়ির আওতায় পড়েছে। তবে গতকাল রাতে স্টেডিয়াম ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. মুস্তাফিজুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। তাঁর বদলি হিসেবে পরিদর্শকের দায়িত্ব পেয়েছেন হরিদাস মণ্ডল। জানতে চাইলে তিনি বলেন, এক মাস আগেই তাঁর এখানে বদলির আদেশ হয়েছে। তবে তিনি এত দিন দায়িত্ব নেননি। আজ সকালেই তিনি দায়িত্ব বুঝে পেয়েছেন। গতকাল রাতের ঘটনায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের ওপর গুলির ঘটনায় সাতজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। মালগ্রাম এলাকার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাসেলকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা রাসেলের সহযোগী।

এ ব্যাপারে বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সাজেদুর ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গুলিবিদ্ধ দুজনই স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা। তবে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে কোনো কোন্দল বা বিরোধ নেই। হামলায় অভিযুক্ত রাসেল স্বেচ্ছাসেবক লীগের সঙ্গে ওঠাবসা করলেও তাঁর দলীয় কোনো পদপদবি নেই। একই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। এর সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কোন্দল বা বিরোধের কোনো সম্পর্ক নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন