default-image

বগুড়ার শেরপুরে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রপ ফিল্ড মোজাইক ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ শিল্পকর্মের খেতে ধান কাটার উদ্বোধন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে নির্মিত এই শিল্পকর্ম গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিয়েছে। বিশাল এই কর্মযজ্ঞে আর্থিক, কারিগরি ও লোকবল দিয়ে সহায়তা করেছেন ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকেয়ার গ্রুপ।

আজ সোমবার দুপুর ১২টায় এই ধান কাটা উৎসবের উদ্বোধন করেন শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর কবির নানক।

‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ এই শিল্পকর্মে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি ধানের চারা রোপণ করা হয়। শস্যচিত্রের ফাইনাল লে-আউট তৈরি শেষ হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। ২০ ফেব্রুয়ারি শস্যচিত্রের খেতে ধান রোপণ শেষ করা হয়। আজ সোমবার ধান কাটার উদ্বোধন করা হয়েছে।

উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বালেন্দা মোড়ে অনুষ্ঠানের মঞ্চ বানানো হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রসঙ্গ টেনে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, যারা পবিত্র মাদ্রাসাকে কলঙ্কিত করে, তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। বিএনপি-জামায়াত দেশকে নিয়ে বারবার ষড়যন্ত্র করছে। হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তারা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।

default-image

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সচেতন থাকতে হবে। বিএনপি-জামায়াত ধর্ম ব্যবসায়ীদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে।

বিজ্ঞাপন

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, বাংলাদেশ কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের সদস্যসচিব কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ এই শিল্পকর্মে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি ধানের চারা রোপণ করা হয়। শস্যচিত্রের ফাইনাল লে-আউট তৈরি শেষ হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। ২০ ফেব্রুয়ারি শস্যচিত্রের খেতে ধান রোপণ শেষ করা হয়। ১৬ মার্চ সর্ববৃহৎ ক্রপ ফিল্ড মোজাইক হিসেবে এই শস্যচিত্র গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি পায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন