দুপুরের দিকে গাড়ির চাপ অনেকটা কমতে পারে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোসাদ্দেক হোসেন। তিনি বলেন, রাতভর যানবাহনের অনেক চাপ থাকায় যানজট ছিল। আজ সকাল থেকে যানজট কিছুটা কমলেও গাড়ির চাপ কমেনি। চালকেরা এলোমেলোভাবে গাড়ি ঢুকিয়ে দেওয়ায় যানজট হচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম মহাসড়কে থেমে থেমে যানজট থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মহাসড়কের ২০ কিলোমিটারে যানজটের সৃষ্টি হয়। এ যানজট এড়াতে সিরাজগঞ্জ শহর হয়ে ঢুকে পড়ে শত শত গাড়ি। ফলে শহরেও যানজট দেখা দেয়। আজ সকাল থেকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট কমছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জুলিয়া আফরোজ প্রথম আলোকে বলেন, ছোট বোনকে নিয়ে তিনি শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় ঢাকার গাবতলী থেকে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। তাঁরা সেতুর ওপরে পৌঁছেছেন শনিবার সকাল সাতটায়। আর সেতু থেকে কড্ডার মোড় পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ আসতে দেড় ঘণ্টা সময় লেগেছে।

ট্রাকে রংপুরে যাচ্ছিলেন কয়েকজন পোশাকশ্রমিক। তাঁরা বলেন, ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত আসতে তাঁদের ১৪ ঘণ্টা সময় লেগেছে। গরমে তাঁদের অবস্থা আরও বেগতিক হয়ে পড়ে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, গতকাল রাত থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর গোলচত্বর থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত তীব্র যানজট ছিল। কখনো আধঘণ্টা আবার কখনো ২০-২৫ মিনিট যানবাহন থেমে থেকেছে। আজ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট কমতে থাকে। এখন যানজট না থাকলেও মাঝেমধ্যে ধীরগতিতে চলাচল করছে যানবাহন।

উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ২২টি জেলার যানবাহন চলাচল করে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক হয়ে।

শৃঙ্খলা রক্ষায় এ মহাসড়কে পালাক্রমে ছয় শতাধিক পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে জানিয়ে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বঙ্গবন্ধু সেতু ও কামারখন্দ সার্কেল) শাহীনুর কবির বলেন, মহাসড়কের কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দুর্ঘটনার কারণে এ যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন