বিজ্ঞাপন

এদিকে বুধবার দিবাগত রাত থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ সড়কজুড়ে যানবাহনের চাপ কমে এসেছে। ভোররাত থেকেই এই যানবাহনের চাপ অনেকাংশেই কমে এসেছে বলে জানিয়েছে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ। সকালে এই মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করলেও তা ছিল স্বাভাবিক।

বঙ্গবন্ধু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসাদ্দেক হোসেন জানান, গতকাল সন্ধ্যা থেকে যানবাহন চলাচলের সংখ্যা বেড়ে গেলেও মহাসড়কে কোনো যানজট ছিল না। তবে থেমে থেমে যানবাহন চলাচল করেছে। আজ ভোররাত থেকেই যানবাহন চলাচলের সংখ্যা কমে এসেছে।

এদিকে সরেজমিন বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের কড্ডার মোড় ও সয়দবাদ এলাকায় দেখা যায়, জায়গাটি একদম ফাঁকা। মাঝেমধ্যে কিছু যানবাহনে এখনো ঈদের ঘরমুখী মানুষকে আসতে দেখা গেল।

এমনই একজন সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আছের উদ্দিন (৪৮)। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজ করেন। স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়ের সঙ্গে ঈদ করবেন বলে ঈদযাত্রা করেছেন। আজ সকাল ৬টার দিকে ঢাকার গাবতলী থেকে মালবাহী ট্রাকে করে বেলা ১১টার দিকে কড্ডার মোড়ে পৌঁছেছেন। সেখান থেকে লোকাল বাসে কাজীপুর যাবেন। বললেন, ‘আসলে আমরা ঈদে বাড়ি আসতে চাইনি। এখন দেখি সবাই বাড়ি যাচ্ছে, তাই চলে এলাম। সব সময় তো আর ছুটি পাওয়া যায় না।’ ঢাকা থেকে কড্ডার মোড়ে আসতে তাঁকে ভাড়া দিতে হয়েছে ১ হাজার ৪০০ টাকা।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী প্রথম আলোকে বলেন, মহাসড়কে এবার অন্য বছরের চেয়ে অনেক বেশি যানবাহন চলাচল করছে। যানবাহনের চাপ বাড়লেও মহাসড়কের কোথাও দীর্ঘ সময় ধরে যানজট সৃষ্টি হয়নি।

বুধবার ভোররাতে সাহ্‌রির পর থেকে দূরপাল্লার বাসও চলাচল করার কারণে মহাসড়কে যানবাহনের চাপটা অনেকাংশে বেড়ে যায়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ কমতে থাকে। এখন মহাসড়ক অনেকটাই স্বাভাবিক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন