বিজ্ঞাপন

সরেজমিন আজ সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্ত থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকা পর্যন্ত অবস্থান করে দেখা যায়, মহাসড়কের ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনের যানবাহনে থেমে থেমে চলছে। আবার মাঝেমধ্যেই একই স্থানে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে অনেক সময়। ধীরগতিতে কিছু দূর এগোতেই যানবাহনগুলোকে আবার থেমে থাকতে হচ্ছে।

স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন এই সেতু পারাপার হয় ১২ থেকে ১৩ হাজার যানবাহন। ঈদ সামনে রেখে ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ হাজার ৪৮১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

মহাসড়কের নলকা সেতুটি সরু ও খানাখন্দে ভরা হওয়ায় এবং কড্ডার মোড় এলাকায় নির্মাণাধীন উড়ালসড়ক এলাকায় যানবাহনের গতি কমিয়ে দেওয়ার কারণে সেখান থেকেই যানজটের সৃষ্ট হচ্ছে। মাঝেমধ্যে আবার এই ধীরগতির যানবাহনের জটলা বড় হয়ে ২২ কিলোমিটার এলাকায় বিস্তার লাভ করছে।

দুপুরে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ কড্ডার মোড় এলাকায় কথা হয় কামারখন্দ উপজেলার চালা গ্রামের নির্মাণশ্রমিক হাবিব আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে মহাসড়কে গাড়ির ধীরগতির কারণে কড্ডার মোড় পর্যন্ত ১০ মিনিটের রাস্তা আসতে সময় লেগেছে এক ঘণ্টা। তিনি জানান, সেতুর পূর্ব পাড়ে যানজট বর্তমানে অনেকটাই কম। প্রতিটি গাড়ি পশ্চিম পাড়ে এসেই যানজটে পড়েছে।

default-image

সয়দাবাদ মোড় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যানজটে আটকে থাকা বগুড়া শেরপুর এলাকার আনিছুর রহমান বলেন, থেমে থেমে এমন যানজটে ১০ মিনিটের সড়ক পার হতে এক ঘণ্টার বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। থেমে থেমে কচ্ছপগতিতে গাড়ি নিয়ে চলতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যেই আবার বেশ কিছুক্ষণ থেমে থাকতে হচ্ছে। এতে গাড়ির তেল খরচ ও সময় দুটিই নষ্ট হচ্ছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী বলেন, ঈদ সামনে রেখে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ প্রচুর বেড়েছে। নির্মাণাধীন উড়ালসড়কের কারণে কড্ডার মোড় এলাকার যানজট ও জরাজীর্ণ সরু নলকা সেতু এলাকায় যানবাহনের ধীরগতির কারণে সৃষ্ট যানজট কখনো কখনো এক হয়ে যাচ্ছে। এসব কারণে নলকার পূর্ব পাশ থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকা পর্যন্ত যানজট তৈরি হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু পশ্চিম থানার ওসি মোসাদ্দেক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল থেকেই মহাসড়কটিতে যানবাহনের সংখ্যা আবারও বেড়েছে। যানজট মোকাবিলায় জেলা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন