বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত মহাসড়কটির বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করে দেখা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ নলকা সেতুর পশ্চিম পাশে সৃষ্ট হয়েছে বিশাল আকারের কয়েকটি গর্ত। যে কারণে সেতুর ৫০ মিটার দূর থেকেই কমিয়ে দিতে হচ্ছে যানবাহনের গতি। একই সঙ্গে সেতুর ওপরের অংশে উঠে গেছে কার্পেটিং। সংযোগগুলো হয়ে পড়েছে নড়বড়ে। এসব কারণে সেতুর উভয় প্রান্তে সব সময় শত শত যানবাহন আটকে থাকে। একই সঙ্গে মহাসড়কটির বেশ কয়েকটি স্থানে উন্নয়নকাজ চলমান থাকায় যানবাহনের ধীরগতির কারণে কিছুক্ষণ পরপর দুই পাশে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এ যানজট বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম পাড় থেকে শুরু হয়ে হাঁটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকায় বিস্তৃত হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম থেকে আসা জবা পরিবহনের বাসচালক রহিম উদ্দিন বলেন, ‘মহাসড়কটিতে উন্নয়নকাজ চলমান থাকায় কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকা যেতে আমাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।’

পাবনা চাটমহরের ট্রাকচালক লিটন মিয়া বলেন, ‘বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর ঝাঐল সেতুর ওপর এসে আটকে রয়েছি। বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম পাড় থেকে হাঁটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে যেতে সময় লাগে ১০ থেকে ১৫ মিনিট। অথচ যানজটে কারণে লাগছে দুই–তিন ঘণ্টা। সিরাজগঞ্জ রোড (হাঁটিকুমরুল গোলচত্বর) এলাকায় এলেই আতঙ্ক শুরু হয়। কতক্ষণের মধ্যে এই অংশটুকু পার হতে পারব—সেটাই শুধু ভাবী। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও যানজটমুক্ত হওয়া সম্ভব হয় নয়।’

হাঁটিকুমরুল হাইওয়ে পুলিশের ট্রাফিক পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, নলকা সেতুটির অবস্থা খুবই খারাপ। সেতুর দুপাশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সেতুর ওপরও রয়েছে খানাখন্দ। এ কারণে প্রায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দিদারুল আলম তরফদার প্রথম আলোকে জানান, সেতুর পশ্চিমাংশে কিছু গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে এখন সংস্কারকাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। এগুলো তুলে কার্পেটিং করতে হবে। বৃষ্টির মৌসুম শেষ হলেই দ্রুত কার্পেটিং করা হবে। কার্পেটিং শেষ হলেই যানজটও কমে যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন