বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আকবর আহমেদ বলেন, ‘এ অবস্থার কথা সংশ্লিষ্ট সব মহলে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ দেখলাম না।’

কলেজের দক্ষিণ পাশে মাঠটি অবস্থিত। মাঠের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে চলাচলের সড়ক এবং পূর্ব ও পশ্চিম পাশে বাড়িঘর। বৃষ্টির পানি বের হওয়ার পথ নেই। সম্প্রতি গিয়ে দেখা যায়, বিশাল মাঠে পানি থইথই করছে। মাঠজুড়ে কচুরিপানা ও ঘাসের ঝোপ। হাঁস সাঁতার কাটছে সেখানে। মাঠে ফেলা হয়েছে ময়লা-আবর্জনা ও আশপাশের ক্লিনিকের বর্জ্য। পানির সঙ্গে সেগুলো মিশে পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য চারটি কালভার্ট ছিল। অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর ও অন্যান্য স্থাপনা গড়ে ওঠায় কালভার্টগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।

মাঠের পূর্ব পাশের বাসিন্দা মৌরানী বিশ্বাস বলেন, ‘গত মে মাস থেকে এ পর্যন্ত পানির নিচে রয়েছে মাঠটি। ডিসেম্বর পর্যন্ত পানি থাকবে। এ অবস্থায় আমাদের সব বাড়ি থেকে নেমে দাঁড়ানোর জায়গা নেই। ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করতে পারে না। মাঠের পচা দুর্গন্ধে বাড়িতেও থাকা দায়। মশার উপদ্রবও বেড়েছে।’

পৌরসভার স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আনিচুর রহমান জানান, নগর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একটি বরাদ্দ হচ্ছে। সেটি দিয়ে মাঠের দক্ষিণ পাশ থেকে একটি নালা লোহাগড়া বাজার হয়ে নবগঙ্গা নদীতে নামবে। পৌরসভা এটি বাস্তবায়ন করবে। এতে মাঠের জলাবদ্ধতা দূর হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন