বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনার সংক্রমণ রোধে হোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকায় বেশ কয়েক মাস ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা গেছে। অনেকেই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তবে পুনরায় সবকিছু সচল হয়ে ওঠলে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। ব্যবসা আবারও চাঙা হয়ে ওঠেছে। ব্যবসা করোনাকালের আগের অবস্থানে ফিরছে বলে অনেকেই মনে করছেন।

default-image

শ্রীমঙ্গলের গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্টের মালিক সেলিম আহমেদ বলেন, ‘পর্যটনকে কেন্দ্র করে টোটাল ব্যবসা একটা ভালো অবস্থানে চলে আসছে। স্থানীয়ভাবে সবকিছুর ব্যবসা বেড়েছে। পরিবহন থেকে শুরু করে অনেক ধরনের ব্যবসা আছে, যা একটার সঙ্গে আরেকটা সম্পর্কিত। হিসাব করে দেখেছি, খাওয়াদাওয়া, ঘোরাঘুরি, কেনাকাটাসহ বিভিন্ন খাতে একজন পর্যটক ২ দিনে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ করেন। অনেকে আরও বেশি করেন। করোনার বন্ধের পরে ব্যবসা ভালো হয়েছে। ভালোর দিকে আছে।’

সেলিম আহমেদ জানিয়েছেন, তাঁর রিসোর্টে চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম ১০ দিনে সাড়ে ৩০০ পর্যটক এসেছেন। মাসে ৭০০ পর্যটক আসেন। এক মাসের হিসাবে দেখা গেছে, তাঁর রিসোর্টে আসা পর্যটকেরাই এক কোটি পাঁচ লাখ টাকার মতো খরচ করেন। এ রকম মানের অন্তত ১০টি রিসোর্ট আছে।

default-image

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সভাপতি আবু সিদ্দিক মো. মুসা বলেন, পর্যটকদের আনাগোনার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি এসেছে। শুধু রিসোর্টমালিকই নন, পরিবহন ও গ্রোসারিমালিক; মাংস, চটপটি ও পান বিক্রেতা—সবাই ব্যবসা করছেন। বলা যায়, পর্যটনের কারণে ব্যবসা বেড়েছে। আগে এ রকম ছিল না। এতে মানুষের জীবনমানেরও উন্নতি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে গোটা পৃথিবী স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। হোটেল-রিসোর্ট বন্ধ হওয়ায় অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অনেকে এখনো ক্ষতি কাটিয়ে ওঠতে পারেননি। তবে করোনার পর পর্যটকদের ঢল নেমেছে। সবাই আশান্বিত। আগামীতে আরও বাড়বে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন