বরাবর
বড় মামা
বাংলাদেশ

বিষয়: সব পরীক্ষায় ছাত্রলীগের কর্মীদের ওপর ‘বিশেষ সুনজর’ রাখা প্রসঙ্গে।

default-image

জনাব
সবিনয় নিবেদন এই যে আমি ছাত্রলীগের একজন উঠতি কর্মী। কদিন আগে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হবে। তার পরে আমরা দেখব।’ কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না, লিখিত পরীক্ষায় ভালো করা আমাদের জন্য কতটা কঠিন! কারণ, আমরা তরুণসমাজকে সামলাব, নাকি পরীক্ষা! একসঙ্গে তো দুটো চলতে পারে না।
আপনি জানেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে আমরা প্রায় মানবেতর জীবন যাপন করছি। ছারপোকার কামড় আর টলটলে ডাল খেয়ে কতটুকুই বা পুষ্টি মেলে! তার পরও আমরা কিন্তু ওসব খেয়েই অন্য গ্রুপের সঙ্গে হাতাহাতি, মারামারি, দখলদারি চালিয়ে যাচ্ছি। পালন করছি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পুরোপুরি ঠান্ডা রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ সব দায়িত্ব। আপনি নিশ্চয়ই উপলব্ধি করবেন, এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের পর পড়াশোনার সময় বের করা কতটা কঠিন। আর এর ফলে আমাদের অধিকাংশ মেধাবী কর্মীই লিখিত পরীক্ষায় ভালো ফল করতে পারছে না।
অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে, কেবল ভাইভাতে নয়, লিখিত পরীক্ষাতেও বিশেষ সুনজর রেখে আমার মতো হাজার হাজার মেধাবী ছাত্রলীগের কর্মীর উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গঠনে সহযোগিতা করতে আপনার মর্জি হয়।

নিবেদক
আপনার একান্ত বাধ্যগত
ছাত্রলীগের একজন কর্মী
লেখা: কাসাফাদ্দৌজা নোমান

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0