বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী ও থানা সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) থেকে ঘৃনই নদীর পুনঃখনন কাজ শুরু করা হয়। বিকেলে নাওগাড়া এলাকায় এক্সকাভেটর দিয়ে খনন করার সময় মানুষের হাড়গোড় বেরিয়ে আসে। এ খবর মুহূতে৴ ছড়িয়ে পড়লে, সেখানে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

বাবুল মিয়া নামে ওই এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, নদীর মাটি কাটার সময় মানুষের মাথার খুলি ও হাড়গোড় দেখতে পাওয়া যায়। তবে হাড়গোড়গুলো কত দিন আগের তা অনুমান করা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে তা উদ্ধার করে নিয়ে যায়। স্থানীয় আশরাফুল ইসলাম বলেন, দুর্বৃত্তরা হয়তো কোনো মানুষকে হত্যার পর নদীর পাড়ে লাশ পুঁতে রেখে যায়। কারণ, ওখানে কখনো এলাকার কাউকে কবর দেওয়া হয়নি।

বদরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাদ্দাম হোসেন বলেন, স্থানীয় কেউ কেউ বলছেন, কঙ্কালগুলো হয়তো মুক্তিযুদ্ধের সময় পুঁতে রাখা। তবে এত দিন আগের হাড়গোড় পচে নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা। এর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আগামীকাল রোববার তা রংপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে। ডিএনএ পরীক্ষাও করা হবে। ভবিষ্যতে কেউ দাবি করলে তাঁদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তা মেলানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘প্রয়োজনীয় পরীক্ষা–নিরীক্ষার জন্য হাড়গুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন