বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খবর পেয়ে আবদুর রাজ্জাক ও তাঁর ১৫ থেকে ২০ জন কর্মী-সমর্থক সেখানে ছুটে আসেন। এরপর দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এরপর আওয়ামী লীগের ফিরোজ হোসেনের ক্যাম্পে ভাঙচুর করা হয়।

ফিরোজ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, গতকাল রাতে আবদুর রাজ্জাকের কর্মী-সমর্থকেরা রুকনপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করেছেন। এ সময় তাঁর দুই কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। প্রচারণার মাইক ও একটি মোটরসাইকেল ডোবায় ফেলা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন।

এদিকে পাল্টা অভিযোগ তুলে আবদুর রাজ্জাক বলেন, নৌকার প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করেছেন। তাঁর কর্মী-সমর্থকদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

default-image

আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ক্যাম্প ভাঙচুর ও কর্মীকে মারধরের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার লোকজন কেউ ভয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্পের আশপাশেও যাচ্ছেন না, ক্যাম্প ভাঙচুর করা তো দূরের কথা। ওই প্রার্থীর লোকজন নিজেরাই তাঁদের ক্যাম্প ভাঙচুর করে আমার কর্মী-সমর্থকদের দোষারোপ করছেন। আমার কর্মীরা তো আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তাঁর লোকজনের হুমকি-ধমকিতে তটস্থ। তাঁরা তো আমার পোস্টারই থাকতে দিচ্ছে না।’

বদলগাছী থানার ওসি আতিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন