default-image

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তিতাস গ্যাসের সাহায্যে পানির পাইপলাইন পরিষ্কার করার সময় গ্যাসের আগুনে দুই মিস্ত্রিসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দরের পূর্ব নোয়াদ্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন মহসিন (৪০), মনির হোসেন (৫৫), সোলাইমান (৫০), নাজিমউদ্দিন (৫৫) ও মাহফুজ (১৪)। তবে আগুনে বাড়িঘরের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানায় পুলিশ।

মিস্ত্রিরা পাইপের জ্যাম সারাতে হাওয়ার মেশিন ব্যবহার না করে গ্যাসের প্রেশার ব্যবহারের চেষ্টা করেন। এ সময় পাইপের লিকেজ দিয়ে নির্গত গ্যাস ঘরে জমতে থাকে। এরপর পাশের গ্যাসের চুলার আগুন ঘরে জমে থাকা গ্যাসের সংস্পর্শে আসতেই আগুনের লেলিহান শিখা ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা জানান, উপজেলার পূর্ব নোয়াদ্দা এলাকার আবদুল আজিজের ছেলে সোলাইমানের বাড়ির পানি সরবরাহের পাইপলাইন আয়রন জমে সরু হয়ে যায়। সরু পাইপ দিয়ে পানি না আসায় সরবরাহ বাড়ানোর জন্য আজ সকালে মহসিন ও মনির নামে দুই মিস্ত্রিকে নিয়ে আসেন সোলাইমান। মিস্ত্রিরা পাইপের জ্যাম সারাতে হাওয়ার মেশিন ব্যবহার না করে গ্যাসের প্রেশার ব্যবহারের চেষ্টা করেন। তাঁরা অন্য একটি পাইপের মাধ্যমে রাইজার থেকে গ্যাস–সংযোগ নিয়ে পানির পাইপে চাপ প্রয়োগ করে জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করতে থাকেন। এ সময় পাইপের লিকেজ দিয়ে নির্গত গ্যাস ঘরে জমতে থাকে। এরপর পাশের গ্যাসের চুলার আগুন ঘরে জমে থাকা গ্যাসের সংস্পর্শে আসতেই আগুনের লেলিহান শিখা ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুই মিস্ত্রিসহ পাঁচজন দগ্ধ হন।

ওসি আরও বলেন, এলাকাবাসী দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে চারজনকে বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। মাহফুজ নামের এক কিশোরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন