বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমাম বলেন, তিনি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বৃন্দাবন এলাকার বস্তিতে থাকতেন। ইমামের বন্ধু মো. রাসেল আহমেদও (২২) সেই বস্তিতে থাকতেন। বন্ধুত্বের সূত্র ধরে ইমামের বাসায় যাতায়াত ছিল রাসেলের। ৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ইমাম ঘরে ঢুকে রাসেলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এরপর দুই বন্ধুর মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রাসেলের সঙ্গে ইমামের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় হাতের কাছ পাওয়া একটি ছুরি দিয়ে রাসেলের পিঠে উপর্যুপরি আঘাত করেন তিনি। এ সময় তাঁর স্ত্রী রাসেলকে বাঁচাতে এলে তাঁকেও আঘাত করেন ইমাম। তাঁরা আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সেখান থেকে বেরিয়ে যান ইমাম।

র‌্যাব জানায়, এরপর ইমাম তাঁর শ্বশুরকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানান। পরে তাঁর শ্বশুর রাসেল ও তাঁর মেয়েকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন। রাসেল মারা যাওয়ার পরদিন তাঁর বাবা সোহরাব হাওলাদার বাদী হয়ে তুরাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় শুধু ইমামকে আসামি করা হয়। ইমামের স্ত্রী এখনো চিকিৎসাধীন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ইমাম ঘটনার পর বাসে করে বরগুনা চলে আসেন। পরে র‌্যাবের সদস্যরা তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে ইমামের অবস্থান নিশ্চিত করে তাঁকে ধরতে অভিযান চালান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন