বিজ্ঞাপন

নির্ভানা ইন হোটেল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রুদ্রসহ ১০-১২ জন সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে নামে। সাঁতারে নামার পর হঠাৎই রুদ্রকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষের লোকজন সুইমিংপুলের পানির নিচ থেকে রুদ্রকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আবু ফরহাদ বলেন, রুদ্র সাঁতার জানত না। এরপরও পানিতে নেমেছিল। এতে হোটেল কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রুদ্রের বাবা প্রায় এক বছর আগে মারা গেছেন। তারা এক ভাই এক বোন।

হোটেলের অপারেশন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে তান্না বলেন, সুইমিংপুলে আগে সাঁতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। করোনার কারণে সেটি বন্ধ আছে। নির্ধারিত ফির বিনিময়ে সুইমিংপুলে সাঁতার কাটার অনুমতি দেওয়া হয়। সাঁতার না জানলে গভীর পানিতে না নামার জন্য সতর্ক করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন