সকালে ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের চরপিপুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠে ও চারদিকে হাঁটুপানি। বিদ্যালয়টি টিনশেডের। পানি ওঠায় পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এলাকাবাসী জানান, নদীভাঙনের কারণে বিদ্যালয়টি কয়েকবার স্থানান্তর করা হয়। তাই টিনশেড ঘরে পাঠদান চলে।

এদিকে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, সোমবার থেকে আজ মঙ্গলবার বেলা ২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ঘাঘট নদের পানি ২৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার এবং ব্রহ্মপুত্রের পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তা ও করতোয়া নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে আছে।

গাইবান্ধা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান বলেন, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী আপাতত গাইবান্ধায় বড় বন্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, জেলার ৪টি উপজেলার ২৩টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়েছে প্রায় ৫৭ হাজার মানুষ। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম ফয়েজ উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, ওই ৪টি উপজেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ৮০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ১ হাজার ৯০০ জন বন্যাকবলিত মানুষ বসবাস করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন