বিজ্ঞাপন

শ্রমিক নিমাই বাদ্যকরের স্ত্রী লক্ষ্মী রানী বাদ্যকর বলেন, ‘এইব্যার খ্যাতে ম্যালা টাগাই (কচুরিপানা) অইছে। ত্যাই স্বামীর লগে কাম করতাছি। পরাই এক সপ্তাহ ধইর‌্যা ম্যালা খ্যাতে কাম করতাছি। তা–ও চকের টাগাই সরিয়া শ্যাষ করা পারতাছি না।’

ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের লিয়াকত আলী বলেন, কচুরিপানার জন্য এবার জমিতে সময়মতো আবাদ করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এবার লোকজন আগাম সবজিরও আবাদ করতে পারছেন না। কী হয়, তা নিয়ে সবাই চিন্তায় আছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় চাষিরা এ বছর আগাম সবজির আবাদ করতে পারেননি। এখনো অনেক জমিতে হাঁটুপানি। পাশাপাশি জমিতে কচুরিপানার কারণে চাষিরা শর্ষে আবাদের উপযোগী করতে পারছেন না। সাধারণত ১৫ নভেম্বরের মধ্যে শর্ষের আবাদ শেষ করতে হয়। কিন্তু এ বছর তা করা যাবে না। এতে শর্ষের আবাদের লক্ষ্যমাত্র অর্জন না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন