আলাপে আলাপে আবদুস সালাম বলেন, প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তিনি কোনো ভাতা পাচ্ছেন না। এখন এই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকে টানা সাত দিন ধরে পানিবন্দী। প্রতিবন্ধী হওয়ায় এক বছর আগে একজন তাঁকে একটি অটোরিকশা উপহার দেন। এর ভাড়া বাবদ দৈনিক তাঁর আয় হয় ১০০ থেকে ২০০ টাকা। এখন বন্যার পানিতে আশপাশের রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় অটোরিকশাও ভাড়া নেন না চালক।

আবদুস সালামের বড় ছেলে রিয়াদ আহমদ (১৮) গাড়িচালকের সহকারী হিসেবে কাজ করেন। ছোট ছেলে ফরহাদ আহমদ (১৫) একটি পরিবহন কোম্পানির মালামাল ওঠানো-নামানোর কাজ করে। তবে পানি আসায় রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় তারাও বেকার হয়ে পড়েছে। একে তো পানিবন্দী, এর মধ্যে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছেন তাঁরা। এর মধ্যে প্রতি মাসে তাঁদের ঘরভাড়া বাবদ সাত হাজার টাকা দিতে হয়। এখন স্ত্রী ও দুই ছেলে হঠাৎ বেকার হয়ে পড়ায় পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘ই-রকম পানি জীবনেও দেখছি না। সামনের দিন যে কী হবে, বুঝতেছি না!’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন