সবুজে ঘেরা শ্রীমঙ্গলে রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান। নয়নাভিরাম চা–বাগান, চা জাদুঘর, ডিনস্টন সিমেট্রি, চা–কন্যা ভাস্কর্য, নির্মাই শিববাড়ী, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ বন্য প্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, ভাড়াউড়া লেক, বধ্যভূমি ৭১, ত্রিপুরা মহারাজার কাচারিবাড়ি, খাসিয়াপুঞ্জি, মণিপুরীপাড়া, গারোপল্লি, সাত রঙের চায়ের দোকান, লেবু ও আনারসের বাগান, রবারবাগান, হাইল হাওর, বাইক্কা বিলসহ প্রাকৃতিক অনেক সুন্দর জায়গা পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। এ ছাড়া গত ১০ বছরে শ্রীমঙ্গলে প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে ওঠা রিসোর্টগুলোতে সময় কাটাতে দেশ–বিদেশ থেকে হাজারো পর্যটক এখানে ভিড় জমান।

default-image

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সামছুল হক বলেন, শুধু হোটেল রিসোর্টই নয়, শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের জন্য গড়ে ওঠা রেস্টুরেন্টের মালিকেরা এখন খুবই সমস্যায় পড়েছেন। পর্যটক না থাকায় রেস্টুরেন্টগুলোতে কর্মীদের বেতন দেওয়ার টাকাই উঠছে না।

করোনার কারণে দেশের অন্যান্য এলাকার মতো শ্রীমঙ্গলের পর্যটন ব্যবসায়ও ক্ষতির মুখে পড়ে। করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। এরপর গত মাসে এল বন্যা। এতে পর্যটকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। আবার দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছে। পর্যটক কমে যাওয়ার এটাও কারণ বলে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

default-image

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্টের মালিক সেলিম আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুটি ঈদের মাসখানেক আগে থেকেই শ্রীমঙ্গলের হোটেল রিসোর্টগুলোতে বুকিং শুরু হয়। কিন্তু এ বছর আমরা হোটেল রিসোর্টের মালিকেরা খুবই হতাশ। সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যার কারণে এর প্রভাব আমাদের এলাকায় এসে পৌঁছেছে। পর্যটকেরা সিলেটের বন্যা শ্রীমঙ্গলে আছে ভেবে এখানে আসছেন না।’

default-image

গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলের হোটেল রিসোর্টগুলো সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ বুকিং হয়েছে বলে মালিকেরা জানিয়েছেন।

সেলিম আহমেদ বললেন, ‘গত এক মাস আমাদের হোটেল রিসোর্টগুলো পুরোদমে খালি পড়ে ছিল। আমরা পর্যটকদের বলব, আপনারা শ্রীমঙ্গলে আসুন। এখানে কোনো বন্যা নেই। সব দর্শনীয় স্থানে সুন্দরভাবে যাতায়াত করতে পারবেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন