এ সময় বন বিভাগের গোপালপুর বিট কর্মকর্তাসহ এলাকাবাসী ও এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যরা মশাল ও টর্চলাইট জ্বালিয়ে, পটকা ফুটিয়ে ও হইহল্লা করে হাতির দলটিতে জঙ্গলে ফেরাতে চেষ্টা করেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাতির দলটি আবার তালতলা জঙ্গলে চলে যায়।

কৃষক আবু হানিফ বলেন, হাতির দল আগুন ও মানুষ দেখেও ভয় পায় না। হইহল্লা করেও কাজ হয় না।

হাসমত আলী বলেন, ‘হাতির চিৎকার শুনেই আমরা ঘরবাড়ি ছেড়ে দৌড়ে পালিয়েছি। এ সময় আমার থাকার ঘরটি হাতির দল ভেঙে ফেলেছে। পরিবার নিয়ে অন্যের বাড়িতে গিয়ে রাত কাটিয়েছি।’

গোপালপুর বিট কর্মকর্তা মো.শাহ আলম বলেন, ৪০ থেকে ৫০টি হাতি জঙ্গল থেকে লোকালয়ে নেমে আসে। এর পর থেকে আলো জ্বেলে গ্রামবাসীদের নিয়ে হাতি তাড়াতে চেষ্টা করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বন বিভাগের কাছে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.আবদুল করিম বলেন, পানিহাটার তালতলা জঙ্গল থেকে প্রতি রাতে হাতির দলটি খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে নেমে আসে। এলাকাবাসীদের নিয়ে তাঁরা হাতি জঙ্গলে ফেরাতে কাজ করে যাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের থানায় জিডি করে বন বিভাগের ফরমে আবেদন করতে বলা হয়েছে। হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পাবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন