বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দা মাহমুদুল হাসান বলেন, লোকালয়ে এখন তো শকুন দেখাই যায় না। শকুনটি উদ্ধারের সময় খুবই দুর্বল ছিল। দাঁড়াতে পারছিল না ঠিকমতো। দ্রুত চিকিৎসা দিয়ে শকুনটিকে অবমুক্ত করা হবে, প্রত্যাশা তাঁর।

বন বিভাগের তালতলী বিটের বিট কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, খাবারের খোঁজে দলছুট হয়ে শকুনটি এই অঞ্চলে চলে এসেছে। শকুনটি অসুস্থ। চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

প্রকৃতি সংরক্ষণবিষয়ক সংস্থাগুলোর জোট আইইউসিএন শকুনকে মহাবিপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করে লাল তালিকাভুক্ত করে। আইইউসিএনের তথ্যমতে, ১৯৯০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৯৯ শতাংশ শকুন বিলুপ্ত হয়ে যায়। তবে আইইউসিএন ও সরকারের উদ্যোগে শকুনের জন্য ক্ষতিকারক দুটি ওষুধ নিষিদ্ধ করা, এগুলোর জন্য দুটি নিরাপদ এলাকা ঘোষণা করা ও শকুন সংরক্ষক দল গঠন করার মাধ্যমে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। চার বছর ধরে দেশে শকুনের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

default-image

পরিবেশবিদেরা বহু আগেই এই পাখিকে প্রকৃতির ‘পরিচ্ছন্নতাকর্মী’ বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন। মৃত প্রাণীর মাংস খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে শকুন। অন্তত ৪০টি রোগের ঝুঁকি থেকে মানুষকে রক্ষা করে এই পাখি। মৃতদেহ থেকে যেসব জীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে, তা থেকে মানুষকে রক্ষা করে শকুন। এখন শকুনও কমে গেছে, একই সঙ্গে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার হারও বেড়ে গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন