default-image

বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর চারটি নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় হামলায় নৌকার দুই সমর্থক আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী শরীফ ইলিয়াস উদ্দিন অভিযোগ করেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মতিউর রহমানের কর্মী ও সমর্থকেরা কার্যালয় ভাঙচুর ও হামলার সঙ্গে জড়িত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত আটটা থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে ইউনিয়নের গুলিশাখালী বাজার, ডেমা চামিলী বাজার, বাওয়ালকার ও ডেমাবাজারে নৌকার কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়। এ সময় ডেমাবাজারে নৌকার দুই সমর্থককে মারধর করা হয়। আহত শানু তালুকদার (৫০) ও হাসি বেগমকে (৪০) বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গুলিশাখালী বাজার এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ নাজনীন বলেন, আনারস প্রতীকের মতিউর রহমানের লোকজন প্রথমে তাঁদের অফিস ভাঙচুর করেন। এরপর তাঁরা আরও লোকজনকে ডেকে এনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করেন।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী শরীফ ইলিয়াস উদ্দিন অভিযোগ করেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী মতিউর রহমানের সন্ত্রাসী বাহিনী পরিকল্পিতভাবে আমার চারটি নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করেছে।’

বিজ্ঞাপন

এ অভিযোগ অস্বীকার করে মতিউর রহমান বলেন, তাঁর জনপ্রিয়তা দেখে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাঁর সমর্থকেরা আওয়ামী লীগের কোনো অফিস ভাঙচুর করেননি। বরং নৌকার লোকজন তাঁর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও কর্মী-সমর্থকদের মারধর করেছেন। তাঁরা নিজেদের অফিস ভেঙে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক কে এম তারিকুল ইসলাম আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। প্রাথমিকভাবে ভাঙচুরের সত্যতা পাওয়া গেছে। এখনো কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন