বিজ্ঞাপন

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১২ লাখ জনসংখ্যার এই জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য ৮৯টি শয্যা রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ১ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত বরগুনা জেলায় ৫৫৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে বরগুনা সদর উপজেলায় রয়েছেন ২৩৯ জন। বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে শয্যাসংকট থাকায় করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতালের করোনা ইউনিটের প্রধান ইমরান আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, জনবলসংকট থাকায় সেবাপ্রত্যাশী রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এখানে একজন চিকিৎসক ১৮ ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা না থাকায় করোনায় আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে এখন আইসিইউর শয্যা খালি নেই।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক সোহারফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘শয্যা তৈরির সরঞ্জাম এসে গেছে। আমাদের জনবলসংকট থাকায় শয্যা প্রস্তুত করতে একটু দেরি হচ্ছে। দু-এক দিনের মধ্যে শয্যাসংকট দূর হবে।’

সিভিল সার্জন মারিয়া হাসান প্রথম আলোকে বলেন, বরগুনা জেলায় করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য ৮৯টি শয্যা রয়েছে, যা জনসংখ্যার তুলনায় খুবই নগণ্য।
জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে শয্যাসংকট দেখা দিয়েছে। আমি করোনা ইউনিট পরিদর্শন করেছি। শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র দিয়েছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন