বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তালুকদার কান্দা এলাকার জেলে আকাব্বর বলেন, ভোররাতে পায়রা নদীতে ইলিশ মাছ ধরার জন্য জাল ফেলেন তিনি। সকাল নয়টার দিকে জাল তুলে বড় একটি ইলিশ পান। এরপর আর জাল না ফেলে তিনি মাছটি তালতলী বাজারে এনে আড়তদার আনোয়ার হোসেনের কাছে বিক্রি করে দেন।

মাছটি তালতলীর মৎস্য আড়তদার আনোয়ার হোসেন কিনে পরে ৩ হাজার ১৮০ টাকায় বিক্রি করেছেন।

আকাব্বর আরও বলেন, প্রতিবছর ইলিশের ভরা মৌসুমে প্রচুর ইলিশ মাছ ধরা পড়ত। কিন্তু এ বছর ইলিশ খুবই কম। যা পাচ্ছেন তার মধ্যে ১ কেজির বেশি ওজনের মাছ এর আগে জালে ধরা পড়েনি।

মৎস্য ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, এ মৌসুমে এর আগে তালতলীতে সর্বোচ্চ ১ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ধরা পড়েছিল জেলেদের জালে। আজ যে ইলিশটি কিনলেন, এত বড় ইলিশ বিগত দুই-তিন বছরে এ এলাকার জেলেরা পাননি।

বাংলাদেশ ট্রলারমালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, অবৈধ জালে সয়লাব পায়রা, বলেশ্বর ও বিষখালী নদীর মোহনা। এ কারণে কিছু ছোট ইলিশ এসব নদীতে প্রবেশ করলেও বড় ইলিশ ঢুকতে পারছে না। এ কারণে নদীতে জেলেদের জালে খুব কম ইলিশ মাছ ধরা পড়ছে।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব প্রথম আলোকে বলেন, সাগরে মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাঁরা। বড় মাছ ধরা পড়া মানেই সরকারের সফলতা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন