বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিছিল নিয়ে পথসভায় যাওয়ার পথে মনসাতলীতে নৌকার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর জেরে নৌকার সমর্থকেরা সন্ধ্যা সাতটায় লাকুরতলা এলাকায় বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ বারীর সমর্থকে তোফাজ্জেল হোসেনকে মারধর করেন বলে জানা গেছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে পরীরখাল এলাকায় নৌকার সমর্থকেরা পথসভায় যাওয়ার পথে এম এ বারীর সমর্থকেরা তাঁদের ওপর হামলা করেন। একপর্যায়ে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন কর্মী-সমর্থক আহত হন। এদিকে সভা শেষ করে রাত ১০টায় পরীরখাল বাজার থেকে পুলিশ পাহারায় ফেরার সময় নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের ওপর এম এ বারীর কর্মী-সমর্থকেরা আবার হামলা চালান। একপর্যায়ে নৌকার কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম সারোয়ারের প্রচারের গাড়িতে হামলা চালান।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী নাজমুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বারী পরিকল্পিতভাবে নৌকার সমর্থকদের ওপর হামলা করেছেন। তিনি আগে থেকে বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র মজুত করে রেখেছিলেন। হামলায় তাঁর পক্ষের ১২ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে এম এ বারী বলেন, ‘প্রচারণার শুরু থেকেই নৌকার কর্মী-সমর্থকেরা বিভিন্ন স্থানে আমার কর্মীদের মারধর, হুমকি ও প্রচারণায় বাধা দিয়েছে আসছে। বৃহস্পতিবার রাতেও নৌকার প্রার্থীর উপস্থিতিতে আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করা হয়। এতে আমার ২০ জন সমর্থক আহত হয়েছেন। ভয়ে তাঁরা চিকিৎসা পর্যন্ত নিতে পারছেন না।’

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম তারিকুল ইসলাম বলেন, হামলার খবর পেয়ে বাবুগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বরগুনা থেকেও পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ওই এলাকায় যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। বেশ কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন