বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ হামলার পর থেকেই বাসমালিকেরা সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত জেলার অভ্যন্তরীণ সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভিন্ন পথে যাতায়াতকারী যাত্রীরা।

২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জেলা আঞ্চলিক পরিবহন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা জেলার সব সড়কে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল, মাহেন্দ্র, অটোরিকশা, ইজিবাইক, অননুমোদিত যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। তবে এসব সড়কে বর্তমানে মোটরসাইকেল, মাহেন্দ্র, অটোরিকশা, ইজিবাইক চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ বাস মালিক সমিতির।

বাসমালিক বাহাদুর মিয়া বলেন, তিনি বাড়িতে ছিলেন। এমন সময় সমিতি থেকে ফোন করে জানানো হয়, সিকাদারবাড়ির সামনে স্থানীয় অটোরিকশাচালকেরা বাস আটকে দিয়েছেন। তিনি সেখানে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাঁরা মারধর করেন। এ সময় তাঁরা দুটি বাস ভাঙচুর করেন।

এ নিয়ে অটোরিকশার শ্রমিকনেতাদের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সিকদারবাড়ি এলাকায় চলাচলকারী অটোরিকশার এক চালক প্রথম আলোকে বলেন, ওই পথে যাত্রী পরিবহনে বাসশ্রমিকেরা নানাভাবে বাধা দেন। সড়কে সাইড দিতে চান না। অনেক সময় অটোরিকশা থেকে যাত্রী নামিয়ে নেন। এসবের প্রতিবাদে অটোরিকশার চালকেরা সিকদারবাড়ি এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন।

বরগুনা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সগীর হোসেন বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন তাঁরা। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, অটোরিকশাচালকদের সঙ্গে বাসমালিক–শ্রমিকদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বাসশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ করে রাখার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের সরিয়ে দেন। তবে এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন