বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজন জানান, কামালের ঘরে সাপ ও বাচ্চা রয়েছে এমন খবর শুনে অনেকেই সেখানে ভিড় করেন। এলাকায় প্রায়ই এ প্রজাতির সাপ দেখতে পাওয়া যায়। আশপাশে আরও সাপের বাচ্চাসহ বড় সাপও থাকতে পারে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজন আতঙ্কিত।

সাপুড়ে মালেক ফকির বলেন, উদ্ধার হওয়া মা সাপটি প্রায় সাড়ে ৫ ফুট লম্বা। দুই–তিন দিনের মধ্যেই ডিমগুলো থেকে বাচ্চা বের হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ত। ইতিমধ্যে আটটি ডিম ফুটে বাচ্চা সাপ বেরিয়েছিল। বাচ্চা সাপসহ ডিম নষ্ট করে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষক শাহিদা খাতুন বলেন, সাপটি গোখরা প্রজাতির। স্থানীয়ভাবে একে জাতি সাপ বা জাত সাপ নামেই মানুষ বেশি চেনে। মাটির নিচে ডিম পাড়ে এবং মা সাপটি ডিমের আশপাশে অবস্থান করে। বিষধর এই জাতের সাপের কামড়ে মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন